রবিবার ১৪ অগাস্ট ২০২২



ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না


আলোকিত সময় :
30.06.2022

আলোকিত সময় ডেস্ক :

হেফাজতে ইসলাম নামধারী কার্যত: ইসলাম বিরোধী শক্তির কতিপয় নেতা নামধারী ব্যক্তি সম্প্রতি আমাদের দয়ালু সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়ের সাথে সাক্ষাৎ করে গত বছরের হেফাজত তাণ্ডবের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত গ্রেফতার হওয়া তথাকথিত আলেমদের মামলা মোকদ্দমা তুলে নিতে ও জামিনের জন্য আবেদন করেছে। এই নেতা নামধারী ব্যক্তিবর্গের অনেকেই মিথ্যাবাদী ও প্রতারক এবং এদের শীর্ষস্থানীয়রা নিজেরাই স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন দিবসে সংগঠিত অনেক অপরাধমূলক কাজের সাথে সরাসরি জড়িত (যেমন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুর‍্যাল খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে ভাংচুর করা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়া ইত্যাদি অপকর্মের সাথে সরাসরি জড়িত)।

ইসলামের বিধান সম্পর্কে অজ্ঞ এই আলেম নামধারীগণ জানেই না যে, অপরাধ করলে বিচারের আওতায় আসতেই হবে। এটাই হচ্ছে ইসলামের বিধান। আর তারা যদি বলে যে, এ অপরাধের সাথে তারা জড়িত নয়, তা হলে তারা যাদেরকে মাদ্রাসা থেকে বহিস্কার করেছে অপরাধ সংশ্লিষ্টতার জন্য তাদেরকে আইনের হাতে তুলে দিক।

একটা বিষয় স্পষ্ট হওয়া দরকার যে, ইসলাম সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে। যারা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেয় না, তারা ইসলামের ভেতরে নয়, বাইরে অবস্থান করে। তারা মুসলিম নামধারী মোনাফেক। হাদিসে আছে, যারা মিথ্যাবাদী তারা মোনাফেক। যারা কথা দিয়ে কথা রাখে না, তারা মোনাফেক। যারা আমানতে খেয়ানত করে তারা মোনাফেক (বোখারী ও মুসলিম)। এক্ষণে যারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় সকাশে গিয়েছিল, উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য উদ্ধৃত হাদিসের আলোকে বিচার করে দেখতে সকলকে অনুরোধ জানাই। তা হলেই তথাকথিত হেফাজতে ইসলামের বেহেফাজতি কর্মকাণ্ড জাতির সম্মুখে পরিস্ফুট হয়ে উঠবে। এবং আমরা দাবি করব যে, মামলাদি প্রত্যাহার বা জামিনের ব্যাপারে ওদের কথাবার্তা যেন যাচাই করে নেওয়া হয়। তবে, সরকারের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, ওরা যে, ইসলামের নামে ভণ্ডামি করছে এতে কোন সন্দেহ নেই।

সংসদ সদস্য, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা,

পঁচাত্তর-পরবর্তী প্রতিরোধ যোদ্ধা,
সম্পাদক, মত ও পথ।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি