রবিবার ১৪ অগাস্ট ২০২২



কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে খেজুর


আলোকিত সময় :
26.07.2022

আলোকিত সম ডেস্ক :

খেজুরকে বলা হয় রাজকীয় ফল। শুধু অতুলনীয় স্বাদ আর গন্ধের জন্য নয়, খেজুরের খ্যাতি তার অসাধারণ রোগ নিরাময়ের জন্যও। প্রতি একশ গ্রাম খেজুরে মেলে ২৮২ কিলো ক্যালরি শক্তি, ৭৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২.৫ গ্রাম প্রোটিন এবং ০.৪ গ্রাম ফ্যাট। গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট ছাড়াও মেলে কিছু প্রয়োজনীয় ভিটামিন। কোলেস্টেরলকে জব্দ করতে খেজুর দারুণ উপকারী।

কীভাবে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে খেজুর
খেজুর রক্তে খারাপ কোলেস্টোরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগের আশঙ্কা কমায়। এ ছাড়া, সোডিয়ামের মাত্রা কম এবং পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি থাকায় হৃদযন্ত্রের পেশির সক্রিয়তা বাড়িয়ে তোলে খেজুর। প্রতিদিনের ডায়েটে খেজর রাখলে রক্তনালিকাগুলোতে ফ্যাট জমতে বাধা দেয়। এর প্রভাবে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। রক্ত জমাট বাঁধতে পারে না। তাই হার্টের অসুখ, কোলেস্টেরল ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে পুষ্টিবিদরা প্রতিদিনের ডায়েটে খেজুর রাখার পরামর্শ দেন।

এ ছাড়া পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন কে, প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকায় নিয়মিত খেজুর খেলে ‘বোন মেটাবলিজম’ ঠিক থাকে। অস্টিওপোরোসিসের আশঙ্কাও কমে। জৈব সালফার থাকার কারণে বিভিন্ন ভাইরাল, ফাঙ্গাল, ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ দূর করে খেজুর। ফুসফুসে বিভিন্ন সংক্রমণও মোকাবিলা করতে সাহায্য করে খেজুর। অনিদ্রার সমস্যা দূর করে খেজুর। মাইগ্রেন এবং ঋতুস্রাবকালীন ব্যথা কমাতেও খেজুর খেতে পারেন।

সারাদিনে কয়টা খেজুর খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত
প্রাতরাশে দুধ-কর্নফ্লেক্সের সঙ্গে চিনির পরিবর্তে খেজুর মিশিয়ে খেতে পারেন। শরীরচর্চা শুরু করার আগেও এটি খেলে উপকার পাবেন। সন্ধ্যাবেলা খিদে পেলে তলে ভাজা খাবারের পরিবর্তে কয়েকটা খেজুর খেয়ে নিলেও পেট ভরে। তবে খেজুরে সামান্য মাত্রায় শর্করা থাকে। তাই প্রতিদিন ৬/৭টির বেশি খেজুর না খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি