বুধবার ৭ ডিসেম্বর ২০২২



টাউটদের দৌরাত্ম্যে মর্যাদাহানি হচ্ছে প্রকৃত সাংবাদিকদের !


আলোকিত সময় :
22.11.2022

রাজু চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

সাংবাদিকতা একটি খুব বিস্তৃত শব্দ। সাংবাদিকরা জাতির বিবেক।
উইকিপিডিয়ায় সাংবাদিকের সংজ্ঞা দেওয়া আছে, ‘সাংবাদিকতা হলো বিভিন্ন ঘটনাবলী, বিষয়, ধারণা, ও মানুষ সম্পর্কিত প্রতিবেদন তৈরি ও পরিবেশন, যা উক্ত দিনের প্রধান সংবাদ এবং তা সমাজে প্রভাব বিস্তার করে।
ইদানিং সর্বত্র লক্ষ্য করা যায় অনেকে অপসাংবাদিকতার সাথে  জড়িত, সাংবাদিকতার সাইনবোর্ড ব্যবহার করে টাউট বাটপারির সাথে জড়িত থাকেন। তাদের কারণে প্রকৃত সাংবাদিকদের মর্যাদাহানি ঘটে।
একজন সাংবাদিক বা গণমাধ্যমকে শতভাগ সঠিক সংবাদ প্রচারের কোনো বিকল্প নেই। মানুষ ঘটনার সঠিক সংবাদ জানতে চায়। সত্য লুকানোর মধ্যে ঘটনার প্রতিকার হয় না। সঠিক ও সৎ সাংবাদিকতা সমাজ বদলে দিতে পারে।’
সাংবাদিকতা একটি সমন্বিত শব্দ। এখানে সম্পাদক থেকে শুরু করে, বার্তা সম্পাদক, বিভাগীয় সম্পাদক, সাবএডিটর, প্রতিবেদক, প্রতিনিধি, কার্টুনিস্ট, উপস্থাপক, ক্যামেরাম্যান সবই এর অংশ। অর্থাৎ যিনি সম্পাদক তিনিও সাংবাদিক। আবার যিনি ক্যামেরা চালান তিনিও সাংবাদিক। তবে যিনি কম্পিউটারে সাংবাদিকের লেখা টাইপ করেন তিনি সাংবাদিক নন।
এখন সংবাদপত্র বা গণমাধ্যমের ধরনে যেমন পরিবর্তন এসেছে তেমনি সাংবাদিকদের কাজের পরিধিতেও পরিবর্তন এসেছে।
সাংবাদিক বা সংবাদকর্মী হতে গেলে যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জার্নালিজম পাস করে আসতে হবে তার কোন শর্ত নেই। জার্নালিজম একটি ডিগ্রি মাত্র। জার্নালিজম পাস করে সাংবাদিকতা পেশায় এসেছে এমন সংখ্যা খুবই কম।
জানা আবশ্যক যে, সাংবাদিক হওয়ার জন্য শিক্ষার কোন উল্লেখ্যযোগ্য মাপকাঠি না থাকলেও সুস্থ সচেতন বিবেকের ধারক ও বাহক শিক্ষিত পুরুষ বা মহিলা যারা একই সাথে দেশ ও জনগণের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসার যোগ্যতা বহনে সক্ষম , নিজ ভাষার ব্যবহার সম্পর্কে সতর্ক জ্ঞান সম্পন্ন তারাই এক্ষেত্রে আবশ্যক ।
বাংলাদেশে বড় বড় টিভি ও পত্রিকা অফিসে কাজ করে তারা প্রত্যেকেই জার্নালিজম করা নয়। তাদের বেশির ভাগই সেখানে স্থান পেয়েছে তার কর্মক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার ও কর্মদক্ষতার আলোকে। অর্থাৎ যার যত বেশি অভিজ্ঞতা, দক্ষতা তার মূল্যায়ন তত বেশি। এই অভিজ্ঞতাটা যে জার্নালিজম পাস করে অর্জন করতে হবে তার কোন শর্ত নেই।
একজন অভিজ্ঞ সাংবাদিক হতে হলে জার্নালিজম পাস করার কোন প্রয়োজনীয়তা বা বাধ্যবাধকতা না থাকলেও একজন অভিজ্ঞ সাংবাদিক হতে গেলে অবশ্যই শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন আছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলে মহান এই পেশার মূল উদ্দেশ্য সমাজের দর্পণ হিসাবে সমাজ চিত্র তুলে ধরা এবং তার প্রতিফলন ঘটানো সহজ হয়ে উঠেনা।
সাংবাদিক বিভিন্ন স্থান, ক্ষেত্র, বিষয় ইত্যাদিকে ঘিরে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংবাদ সংগ্রহসহ বিভিন্ন ধরণের তথ্য সংগ্রহ করে সংবাদ কিংবা প্রতিবেদন তৈরি করে সংবাদ মাধ্যমে প্রেরণ করে থাকেন এবং এটাই সাংবাদিক বা সংবাদদাতার কর্ম।
একজন প্রতিবেদক তৃণমূল পর্যায় থেকে তথ্যের উৎসমূল অনুসন্ধান করেন, প্রয়োজনে সাক্ষাৎকার পর্ব গ্রহণ করেন, গবেষণায় সংশ্লিষ্ট থাকেন এবং অবশেষে প্রতিবেদন প্রণয়নে অগ্রসর হন। তথ্যের একত্রীকরণ সাংবাদিকের কাজেরই অংশ।
সততা একজন সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় গুণ। অনেক যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকলেও সততার অভাবে সাংবাদিকদের অর্জিত সম্মান ধুলোয় মিশে যেতে পারে।
সাংবাদিকতা যতোটা না পেশা তার চেয়ে অনেক বেশি নেশা, ভালোলাগা আর আবেগের। এই নেশাটা ও আবেগ হচ্ছে দেশের জন্য, মানুষের জন্য কিছু করা। একজন সাংবাদিক দেশের ও সমাজের কল্যাণে নিবেদিত প্রান হবেন কিন্তু আমার, আপনার চারপাশে জাগতিক নানা স্বার্থে সংবাদ মাধ্যমকে জড়িয়ে ফেলা হচ্ছে, সৎ সাংবাদিকদের বিতর্কিত করা হচ্ছে, মহান দ্বায়িত্বের মহৎ আদর্শকে জলাঞ্জলি দেয়া হচ্ছে।
অনেক সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে  আছেন যাদের নিউজ নিয়ে কোন মাথা ব্যাথা নেই সারা দিন সরকারি বেসরকারি অফিসে ধর্ণা দেওয়া এই সব ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য দিন দিন বাড়ছে। বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও পত্রিকার জাল পরিচয়পত্র ব্যবহার করে বিভিন্ন পেশার মানুষকে হুমকি দিয়ে চাঁদা আদায় করে। আমরা প্রায়ই দেখতে পাই হলুদ সাংবাদিক এবং সাংবাদিক না হয়েও কার্ড নিয়ে চলাচল করা এমন অনেককেই বিভিন্ন ধরনের অপরাধ এমনকি মাদকসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। ভুয়া অনেকেই গণমাধ্যমের পরিচয় দিয়ে অপরাধে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরা পড়ার পর খোঁজ নিয়ে দেখা যায় তারা প্রকৃত পক্ষে সাংবাদিক নন। এরা কারো থেকে টাকা দিয়ে কার্ড ক্রয় করে সাংবাদিক হয় নয়তো নকল করে কোথাও থেকে বানিয়ে নেন।
সাংবাদিকতা বাণিজ্যের ভিড়ে সংবাদপত্র এবং প্রকৃত সাংবাদিকরা আজ নিভৃতে। ফায়দা নেওয়ার জন্য এক শ্রেণীর স্ব-ঘোষিত সাংবাদিকরা দিন রাত ধান্দায় বিচরণ করে। একশ্রেণীর কিছু লোক আছে কার্ড বাণিজ্য করে অশিক্ষিত, কুশিক্ষিত, ডিশ লাইন ম্যান, গাড়ি চালক, দোকানদার থেকে শুরু করে ভিন্ন ভিন্ন পেশার লোকদের কাছে কার্ড বিক্রি করে সাংবাদিক বানিয়েছে আর কার্ড হাতে পেয়ে সেইসব টাউটরা উদ্দেশ্য হাসিল করতে বিভিন্নভাবে অপব্যবহার করে। অনেক সময় অভিযোগ পাওয়া যায় এরা কার্ডের অপব্যবহার করে মাদক ব্যবসায়ী, যেসব আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ চলে এবং পতিতাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে।
সাংবাদিকতা একটি মহান ও মর্যাদা সম্পন্ন পেশা হলেও টাউট বাটপারদের কারণে মর্যাদা হারাচ্ছে। অনুপ্রবেশ ঘটেছে নাম সর্বস্ব অপ-সাংবাদিকতার। দুর্নীতি আর টাউট ঢুকে গেছে এ পেশায়।
ভিন্ন পেশার এক শ্রেণীর মতলববাজ , অশিক্ষিত, কুশিক্ষিতরা অর্থের বিনিময়ে জাতীয়, স্থানীয় পত্রিকার পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে সাংবাদিকতার নামে নানা ভাবে মানুষকে ইজ্জতহরণ,  নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে, সহজ সরল আবেগ প্রবণ সাধারণদের সরলতার সুযোগ নিয়ে  প্রতিনিয়ত প্রতারণায় মেতে উঠছে। এ ধরনের অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং মাঝে মাঝে আইনের আওতায় ধরা পড়তেও লক্ষ্য করা যায়, যা সাংবাদিকতা আর গণমাধ্যমের জন্য হুমকি স্বরূপ !
সাধারণ মানুষ সবসময় আবেগপ্রবন।  পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় কোন বিষয়ে একটু সূত্র পেলে তিল কে তাল করে নিজের অনৈতিক মতলব , উদ্দেশ্য চলিতার্থ করার জন্য  মুখরোচক, কাল্পনিক গল্প তৈরি করে জন সম্মুখে হাজির করে যা ভুক্ত ভোগীদের জন্য বিরক্তিকর, অস্বস্তিকর, সম্মানহানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ ধরনের উটকো ঝামেলা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে সাংবাদিকতার নামে জিম্মি করা এসব টাউটদের বিরুদ্ধে কোন কিছু বলে না। তাই অনেকে মান-সম্মানের ভয়ে ওইসব অপ-সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে রাজী নন এবং ওই সকল সাংবাদিকতার নামে ছদ্মবেশীদের কাছে বাধ্য হয়ে মাথা নিচু করেই থাকে।
এদিকে যত্র তত্র চোখে পড়ে ” প্রেস’ লিখা স্টিকার লাগানো মোটর সাইকেল এবং বিভিন্ন গাড়ি। এগুলোর মালিক বা চালকরা সবাই কিন্তু সাংবাদিক নন। অবৈধ গাড়ি কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্স বিহীন গাড়ি চালালে ট্রাফিক পুলিশ মামলা দিতে পারে তাই ট্রাফিকের চোখকে ফাঁকি দিতে সাংবাদিক না হয়েও ” প্রেস” লিখা কিংবা ভুঁইফোড় কোন পত্রিকা বা অনলাইন পত্রিকার স্টিকার ব্যবহার করে। আবার এমনও দেখা গেছে যে, একই গ্রুপ অব কোম্পানির কর্মরত অনেক কর্মচারী পত্রিকা বা টিভি চ্যানেলের স্টিকার লাগিয়ে সাংবাদিক সেজে ঘুরে বেড়ায়।
মূলত সাংবাদিকতা একটি পবিত্র , সুস্থ ও সচেতন বিবেকের প্রেরণা। এই মহান পেশায় যেমন রয়েছে ঝুঁকি, তেমন রয়েছে সম্মান ও মর্যাদা। সাংবাদিকতার নামে ঢুকে পড়ার টাউটদের ক্যান্সার টুকু বাদ দিলে সব টুকুই আত্মতৃপ্তি পাওয়ার জন্য একটি স্বাধীন লালসাহীন বিবেকের নাম সাংবাদিকতা ।
আর এই কারনেই সংবাদপত্রকে সমাজের দর্পণ আর সাংবাদিকদের জাতির বিবেক বলে আখ্যায়িত করা হয়। তা ছাড়া সংবাদপত্র একটি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবেও স্বীকৃত। একজন সৎ নির্ভীক ও নিরপেক্ষ সাংবাদিক সমাজের কাছে যেমন সমাদৃত তেমন দুর্নীতিবাজ , গুম, ছিনতাইকারি, খুনি , চোরাচালানী, মাদক ব্যবসায়ী ও সমাজ বিরোধী মতলববাজ, অবৈধ ফতোয়াবাজ , ঘুষখোর, ধর্ম ব্যবসায়ী, নারীলোভী, ক্ষমতালোভী, সন্ত্রাসীদের কাছে মুর্তিমান আতংক ।
যিনি সাংবাদিকতার মত ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত হতে চান তার থাকতে হবে মানসিক ও শারীরিক যোগ্যতা । একজন সাংবাদিককে হতে হবে মেধাবী ও স্মার্ট থাকতে হবে জানার আকাংখা, যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার মত ধৈর্য্য, সৎ-সাহস ও পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন উদার মন মানসিকতা ।
ভদ্র মার্জিত ব্যবহার সাংবাদিকের একটি বিশেষ গুণ । সাংবাদিককে নিরপেক্ষ বিবেক সম্পন্ন হওয়া বাধ্যতামূলক।
কিন্তু সরকারি বেসরকারি দফতরে গিয়ে ফায়দা নিতে বসে থাকে সাংবাদিক নামধারী কিছু টাউট। বিভিন্ন পেশায় কর্মরত হয়েও সাংবাদিক কার্ড সংগ্রহ করে তারা প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অধিদফতরে স্বার্থ হাসিলে বা তদবিরে ব্যস্ত থাকে। অনেক সময় বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তাদের নানাভাবে জিম্মি করতে  চায়, আবার অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী এসব টাউটদের সাথে মিলে তাদের অপকর্মে সহযোগিতা নেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে সময় এসেছে এদেরকে চিহ্নিত করার। এরা আসলে সুষ্ঠু সমাজ বিনির্মাণের শত্রু।
বাংলাদেশে একমাত্র সাংবাদিকতা পেশায় সাংবাদিক পরিচয় দিতে কোন সার্টিফিকেশন বা সনদ প্রয়োজন হয় না। এর ফলে যে কোন মানের লোকজন এ পেশায় আসছে। আবার সাংবাদিক না হয়েও কখনো সাংবাদিকতা না করেও এখন অনেকে সাংবাদিক পরিচয় বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি অধিদফতরে অর্থের দাপটে, ক্ষমতার দাপটে তারা বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে। অথচ অনেক ক্ষেত্রে যেখানে পেশাদার সাংবাদিকরা বঞ্চিত হচ্ছেন আবার সেই সব ভুয়াদের দুর্নীতি বা অপকর্মের কারণে সকলে মর্যাদাও হারাচ্ছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলেও এরা মানুষকে নানা ভাবে জিম্মি , হয়রানি করে। তাদের বিরুদ্ধে কোন আইনের পদক্ষেপ নিতে গেলে এসব ভুঁইফোড় প্রতিষ্ঠান কিংবা সেজে থাকা সাংবাদিকদের অনেকে অপরাধীদের পক্ষ নিয়ে প্রশাসনের ও পুলিশের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন অফিসারদের কাছে অনৈতিক অভিযোগ করেন ফলে তাদের কারণে কাজ করতে গিয়ে আমাদের বিব্রত হতে হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এমন অনেকেই জানান, ধান্দার জন্য কিংবা স্বার্থ হাসিলের জন্য যারা বিভিন্ন গণমাধ্যমের নাম ব্যবহার করে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চলে তারা সংবাদ সংগ্রহ না করে অফিসে অফিসে, থানায় অকারণে গিয়ে বসে থাকেন ওরা তো সাংবাদিক না, এরা টাউট। এদের কারণে অনেক সময় থানার ওসিও বিব্রত হয়ে পড়েন। অনেক সময় এরা নিরীহ মানুষকে ফাঁসিয়ে দেন। এতে স্থানীয়ভাবে প্রশাসন বিতর্কিত হয়।
এতে বিপাকে পড়ছেন পেশাদার সাংবাদিকরা। আমাদের দেশে ভালো সাংবাদিকের অভাব নেই এবং সংখ্যায় বেশি তাঁরা সমাজের মঙ্গলের কথা চিন্তা করেন, দেশের কথা ভাবেন নিজের দায়বদ্ধতা, পেশার মান সম্মান সব দিক তাঁর নজরে থাকে কিন্তু কে ভালো কে মন্দ তা বিচার করার সময় সাধারণ মানুষের নাই। তারা সবাইকে এক পাল্লায় মাপেন এজন্যই আজকাল অনেকেই নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিতে চান না।
সাংবাদিকতার মতো একটি মহান পেশার এই চিত্র কারো কাম্য হতে পারে না। সচেতন মহল অবশ্যই চান-এ পেশা থেকে সব আবর্জনা দূর হউক, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে সাংবাদিকের কলম আরও শক্তিশালী হউক, পেশার মর্যাদা বৃদ্ধি পাক, বন্ধু হিসেবে সব সময় সাংবাদিক থাকবে সাধারণ মানুষের পাশে।


এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি