সোমবার ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩



চট্টগ্রামেও মেট্রোরেল হবে। মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা


আলোকিত সময় :
05.12.2022

সরোয়ার আমিন বাবু, বিশেষ প্রতিনিধি :

রাজধানী ঢাকার মত চট্টগ্রামেও মেট্রোরেল হবে। এজন্য প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বন্দরনগরী চট্টগ্রামের উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকার আন্তরিক। আজও ২৯ টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন ও ৫টি উন্নয়ন কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছি। এগুলো আপনাদের জন্য উপহার। কর্ণফুলী নদীর নীচে টানেল হচ্ছে। কক্সবাজারে মেরিন ড্রাইভ হচ্ছে। বৃহত্তর চট্টগ্রাম জুড়ে উন্নয়ন কাজ চলমান। এর সুফল ভোগ করবে চট্টগ্রাম সহ সারা দেশবাসী। রোববার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি আরও বলেন, সারাবিশ্বে এখন জ্বালানি সংকট। ইউরোপের অনেক উন্নত দেশ এই সংকট উত্তরনে খাদ্য, বিদ্যুৎ ও তেল সাশ্রয় করছে। বিদ্যুৎ, পানি ও জ্বালানি ব্যবহারে আমাদেরকেও সাশ্রয়ী হতে হবে। তিনি বলেন, ব্যাংকের রিজার্ভ নিয়ে কুচক্রী মহল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। দেশে এখনও পর্যাপ্ত রির্জাভ আছে। রিজার্ভের কিছু টাকা জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হয়েছে। আমরা অসহায় মানুষের জন্য বিনামূল্যে খাদ্য দিয়েছি। কৃষকদেরকে টাকা দেওয়া হয়েছে যাতে তারা চাষবাস করতে পারে। শ্রমিকদের বেতন দিয়েছি। ব্যবসা বানিজ্য যেন স্বাভাবিক চলতে পারে এজন্য বিশেষ প্রণোদনা দিয়েছি ব্যবসায়ীদের। বিনামূল্যে ঔষধ ও ভ্যাকসিন দিয়েছি,যা ইউরোপ ও আমেরিকার অনেক উন্নত দেশও দিতে পারে নি। আমরা সবসময় জনগনের কথাই ভাবি ও তাদের জন্য কাজ করি। ‘ব্যাংকে টাকা নেই’- এমন গুজব ছড়ানো হচ্ছে। অথচ গত কয়েকদিনে যারা ব্যাংকে যারা টাকা তুলতে গেছে সবাই তো টাকা পেয়েছে। গুজব রটিয়ে চোরকে চুরি করার সুযোগ করে দিচ্ছে বিএনপি নেতারা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে কোন খাদ্য সংকট নেই।

আমরা খাদ্য উৎপাদন কয়েকগুণ বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছি। মাছ, মাংস, ফলমূল- সবকিছুর উৎপাদন বাড়িয়েছি। তিনি আরও বলেন, বিএনপি জয় বাংলা স্লোগানও মুছে দিতে চেয়েছিলো। আজকে আমরা তা ফিরিয়ে এনেছি। জাতির পিতার ৭ মার্চের ভাষণ আজ জাতিসংঘে স্বীকৃতি লাভ করেছে। তারা এদেশের গণতন্ত্র হরণ করতে চেয়েছিলো। জনগন আর তাদের বোমাবাজি, অগ্নিসন্ত্রাস চায় না। চট্টগ্রামের উন্নয়ন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আবারও বলেন, আমরা চট্টগ্রামের অনেক উন্নয়ন করেছি।সামনে আরও উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হবে। এদিন বিকেল ৩টার পর ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ডে মাঠে এসে পৌঁছান। এক পর্যায়ে দুরবিন দিয়ে পলোগ্রাউন্ড মাঠের বিশাল জনসমাবেশ দেখে চট্টগ্রামের ভাষায় কিছু কথা বলেন ও কুশল বিনিময় করেন। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী। সঞ্চালনা করেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান। জানা যায়, দীর্ঘ ১০ বছর পর চট্টগ্রামের এই ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে জনসভায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকার আদলে তৈরি করা হয় ৮৮ ফুট প্রস্থ ও ১৬০ ফুট লম্বা এই মঞ্চ। ছিল একসঙ্গে ২০০ অতিথি বসার ব্যবস্থা।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি