শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪



ভারতে তাপপ্রবাহে ৯৮ জনের মৃত্যু


আলোকিত সময় :
18.06.2023

আলোকিত সময় ডেস্ক :

তাপপ্রবাহের জেরে ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহার রাজ্যে গত তিন দিনে মৃত্যু হয়েছে ৯৮ জনের। এর মধ্যে উত্তর প্রদেশে মৃতের সংখ্যা ৫৪ এবং বিহারে ৪৪।

উত্তর প্রদেশের বালিয়া জেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, তাপপ্রবাহের কারণে অসুস্থ হয়ে ১৫, ১৬ এবং ১৭ জুন যারা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তাদের মধ্যে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুধু তাই-ই নয়, জ্বর, শ্বাসকষ্ট এবং অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে ওই তিন দিন চার শতাধিক রোগী ভর্তি হয়েছেন ওই হাসপাতালে।

বালিয়া জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (সিএমও) জয়ন্ত কুমার জানিয়েছেন, যেসব রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, তাদের বেশির ভাগেরই বয়স ৬০ বছরের বেশি। সিএমওর দাবি, জেলায় তাপপ্রবাহের কারণে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। তিনি বলেন, ‘তাপপ্রবাহের কারণে রোগীরা কোনো না কোনো উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।’

সংবাদ সংস্থা এপিকে সিএমও জানিয়েছেন, বেশির ভাগ মৃত্যু হয়েছে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে, ব্রেন স্ট্রোক ও ডায়রিয়ার কারণে।

অন্যদিকে বিহারের পরিস্থিতিও এক। তীব্র গরমে পুড়ছে পূর্ব ভারতের এই রাজ্য। ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে তাপপ্রবাহে। রাজ্যের ১৮টি জায়গায় চরম তাপপ্রবাহ চলছে। ৪৪ জনের মধ্যে শুধু পাটনায়ই মৃত্যু হয়েছে ৩৫ জনের।

তাদের মধ্যে নালন্দা মেডিক্যাল কলেজে মারা গেছে ১৯ জন এবং পাটনা মেডিক্যাল কলেজে মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। বাকি ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে রাজ্যের অন্যান্য জেলায়।

রাজ্য আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা যায়, শনিবার ১১টি জেলায় তাপমাত্রা ছিল ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে। পাটনায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৪.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শেখপুরায় তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গিয়েছিল শনিবার। তাপপ্রবাহের কারণে আগামী ২৪ জুন পর্যন্ত পাটনা ও রাজ্যের সব জেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া দপ্তর ১৮ ও ১৯ জুন চরম তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে অওরাঙ্গাবাদ, রোহতাস, ভোজপুর, বক্সার, কাইমুর ও আরওয়াল জেলায়। লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে এসব জেলায়।

এ ছাড়া কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে পাটনা, বেগুসরাই, খাগারিয়া, নালন্দা, বাঁকা, শেখপুরা, জামুই এবং লখিসরাইয়ে। হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে পূর্ব চম্পারণ, গয়া, ভাগলপুর, জেহানাবাদে।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি